সাত প্রযুক্তির ব্যবহারে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের হুঁশিয়ারি

সাত প্রযুক্তির ব্যবহারে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের হুঁশিয়ারি

চীন ও আমেরিকার মতো দেশগুলোর সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানির থেকে শুরু করে ভোক্তা ও নাগরিকরা সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। হ্যাকাররা চুরি করে নিচ্ছে স্পর্শকাতর ডাটা। প্রযুক্তি ব্যবহারের নিয়ম-কানুন জানলে এ সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে জানান সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম ডার্কট্রেসের প্রধান নির্বাহী নিকোল ইগান। নিচে নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে এমন সাতটি প্রযুক্তি ব্যবহারে সাবধান হতে বলেন এই সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ।

১. অডিও ও ভিডিও ব্যবহারে সাবধান:

ডিপফেইক প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইবার হামলার শিকার হতে পারে যে কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। স্ন্যাপ চ্যাট ও ইন্ট্রাগ্রাম এর ভিডিও ও অডিও ডিপফেইক প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে। এগুলোর অডিও বা ভিডিও যাচ্ছেতাই ব্যবহার করলে বিপদ আসতে পারে। তাই এ প্রযুক্তি ব্যবহারে সাবধান হতে হবে।

২. সংকটে ফেলতে পারে ফাইভ জি নেটওয়ার্ক:

সাইবার নিরাপত্তার জন্য আপডেট ভার্সন সুবিধা দিলেও অসুবিধাও তৈরি করে। আপডেট ভার্সন ফাইভ জি নেটওয়ার্ক সংযোগ দেওয়ার আগে ফাইভ জি নেটওয়ার্ক সক্ষম ডিভাইস ব্যবহার করতে হবে। না হলে হ্যাকাররা এ থেকে ফায়দা নেবে।

৩. সহায়ক হতে পারে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:

অনলাইন মার্কেট ব্লক চেইনে অনেকে ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ক্রিপ্টো কারেন্সি যেমন-বিট কয়েন ও লাইট কয়েনের লেনদেন করে থাকে। এর মাধ্যমে বিপদ হতে পারে। ক্রিপ্টো কারেন্সি ছাড়াও ক্রেডিট কার্ড লেনদেনে সহায়ক হতে পারে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে গুগুল কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি বা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর ঘোষণা দেয়।

৪. ইনটারনেট সংযোগে সাবধান:

ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সাবধানী হতে হবে। তা না হলে নতুন সংযোগ হুমকি হতে পারে। হ্যাকাররা নেটওয়ার্ক কানেকশনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার মধ্য দিয়ে গ্রাহকের তথ্য হ্যাক করতে পারে।

৫. ইনটারনেট সংযোগে সাবধান:

Symbolic image of Hacker

ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সাবধানী হতে হবে। তা না হলে নতুন সংযোগ হুমকি হতে পারে। হ্যাকাররা নেটওয়ার্ক কানেকশনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার মধ্য দিয়ে গ্রাহকের তথ্য হ্যাক করতে পারে।

৬. সর্বনাশ করতে পারে থার্ড পার্টির হাইটেক পদ্ধতি:
অনলাইন নিরাপত্তার সর্বনাশ করতে পারে থার্ড পার্টির হাইটেক পদ্ধতি। অনেকে উন্নত প্রযুক্তির বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে ক্লায়েন্টকে কাজ দিয়ে থাকে। এর ফলে মারাত্মক ফল ভোগ করতে হবে। হ্যাকাররা বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়। তাই থার্ডপার্টির সফটওয়্যার ব্যবহারে সাবধানী হতে হবে।

৭. অনলাইনে কাজ করা থেকে সাবধান:
সরকারী ও বেসরকারি কোম্পানির অনলাইনে কাজ করার জন্য একই সংযোগ ব্যবহার করে থাকে। এ থেকে সাবধান থাকতে হবে। কাজের জন্য একই সংযোগ থাকলে যে কোনে সংস্থার তথ্য চুরি করা হ্যাকারদের জন্য সহজ হয়। তাই এ থেকে সাবাধান থাকতে হবে। বিভিন্ন ডিভাইসে বিভিন্ন সংযোগের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *