সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে করণীয়

সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে করণীয়

মেহেরিন মারজিয়া: ইন্টারনেটের মাধ্যমে কারো উপর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা নাশকতা চালানোকে সাইবার বুলিং বলা হয়।

হ্যাকারদের মধ্যে যারা নিজেদের ক্ষমতাটি অন্যের ক্ষতি করার জন্য ব্যবহার করে তারাই মুলত সাইবার বুলিং এর জন্য দায়ী।

বাংলাদেশে যারা সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন তাদের শতকরা ৮০ ভাগই নারী। যাদের বয়সের পরিধি ১৪ থেকে ২২ বছর।

সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে যা যা করণীয়:

অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন, ম্যাসেজ অথবা অনলাইন সামাজিক মাধ্যমগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত কমেন্ট বা ম্যাসেজ দেখলে এড়িয়ে যাওয়া।

বাবা-মা, বড় ভাই-বোন, প্রিয় শিক্ষক অথবা এমন কারো সাথে ব্যাপারটি শেয়ার করা, যিনি দুর্বলতার সুযোগ নেবে না বলে দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে।

আবেগপ্রবণ না হয়ে নিজের অবস্থানটা স্পষ্ট করে তোলা। এতে সামাজিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া যাবে।

অনলাইন অথবা ফোন যে মাধ্যমেই বুলিংটা হোক না কেন, যে কোনো ভাবে তার একটা অফলাইন কপি রাখা। পরবর্তী আইনী সহায়তা নেওয়ার সময় যা প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগবে।

প্রতিটি ওয়েবসাইটেরই অভিযোগ বক্স বা রিপোটিং পদ্ধতি আছে। কোন অসঙ্গতি পেলে রিপোর্ট করা। এতে বুলিং কন্টেন্ট মুছে যাওয়ার পাশাপাশি অপরাধীও সেই সাইট চিরতরে নিষিদ্ধ হয়ে যাবে।

সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তি জনসম্মুখে নিজেকে প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন। তা না করে বরং প্রতিটি সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সাবলীলভাবে উত্তর দেওয়া উচিৎ।

ভুক্তভোগীর ইতিবাচক সাড়া অপরাধ ও অপরাধীর বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে ইন্ধন যোগাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *