রোকেয়া পদক কেন ৯ ডিসেম্বর দেওয়া হয়?

নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে অবদান রাখায় পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০১৯’ দেওয়া হয়েছে।

পাচ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন-

১. নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণে অবদানে বেগম সেলিনা খালেক।

২. নারী শিক্ষায় অবদানে অধ্যক্ষ শামসুননাহার

৩. নারী শিক্ষায় ড. নুরুননাহার ফয়জননেসা (মরণোত্তর)

৪. নারীর অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানে মিজ পাপড়ি বসু

৫. নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানে বেগম আখতার জাহান।

নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হয়েছে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসে গড়ে উঠছে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

বেগম রোকেয়া নারী স্বাধীনতার যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাংলাদেশ সেই স্বপ্ন পূরণ করে বিশ্ব দরবারে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।

বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের সেই ৯ ডিসেম্বরই তার মৃত্যু হয়।

বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুদিনেই রোকেয়া পদক দেওয়া হয়।

নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হয়েছে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসে গড়ে উঠছে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

বেগম রোকেয়া নারী স্বাধীনতার যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাংলাদেশ সেই স্বপ্ন পূরণ করে বিশ্ব দরবারে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।

নারীমুক্তি ও স্বাধীনতার জন্য নারী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বেগম রোকেয়া এজন্যই নারীদের শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে গেছেন।

সেনা, নৌ ও পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীতে নারীদের প্রবেশের সুযোগসহ সচিব পদে নারীদের পদোন্নতি পাচ্ছেন । ডিসি, এসপিসহ বিভিন্ন উচ্চপদে নারীরা কাজ করছেন।

জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে নারীদের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করা হয়েছে।

সংসদের স্পিকার, ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও বিরোধী দলের নেতা সবাই নারী। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদেও নারীরা গর্বের সঙ্গে কাজ করছেন।

নারী নির্যাতন বন্ধে সমাজের প্রতিটি সদস্যকে সচেতন ও আন্তরিক হতে হবে।

আরো দেখুন

Leave a Comment