বিখ্যাত এই ব্যক্তিদের পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশে

বিখ্যাত এই ব্যক্তিদের পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশে

জয়া বচ্চন (অভিনেত্রী)-পৈতৃক আদি নিবাস নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলায়। ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের পুর্বে তাঁর বাবা তরুণ কুমার ভাদুরী কলকাতায় চলে যান।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ (সঙ্গীতজ্ঞ)-প্রথম যে বাঙালি সত্যিকার অর্থে ভারতবর্ষ জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি হলেন ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ। তিনি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম শিবপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

সত্যজিত রায় (চিত্র পরিচালক)-বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। তার পূর্বপুরুষের ভিটা ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া গ্রামে।

কিশোর কুমার (গায়ক)-১৯২৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিখ্যাত গাঙ্গুলী পরিবারে তাঁর জন্ম। বিখ্যাত চিত্রাভিনেতা অশোক কুমার ছিলেন কিশোর কুমারের বড়ভাই।

মিঠুন চক্রবর্তী (অভিনেতা)-মিঠুন চক্রবর্তী বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। অরিয়েন্টাল সেমিনারীতে শিক্ষাজীবন শুরু করেন । তিনি বরিশাল জিলা স্কুলেও পড়েছিলেন।

ঋত্বিক ঘটক (চিত্র পরিচালক)-ঢাকা শহরের ঋষিকেশ দাস লেনে তাঁর জন্ম। ১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পরে তাঁর পরিবার কলকাতায় চলে যায়।

সুচিত্রা সেন-কিংবদন্তি ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনা জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (কবি এবং ঔপন্যাসিক)-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম মাদারিপুর জেলায়,কালকিনি থানার মাইজপারা গ্রামে।

অসিত সেন (চিত্র পরিচালক)–তিনি বহু বিখ্যাত বাংলা ও হিন্দী সিনেমা নির্মাণ করেছেন। জন্ম ময়মনসিংহ জেলায়।

মিতালী মুখার্জি–জন্ম ময়মনসিংহ শহরের নতুন বাজারে। সেখানেই কেটেছে শৈশব। ভারতে পড়তে গিয়ে বিয়ে হয় পাঞ্জাবি ছেলের সঙ্গে। বিয়ের পর ঠিকানা হয় ভারতে।

সুচিত্রা সেন

গীতা দত্ত–১৯৩০ সালে বাংলাদেশের ফরিদপুরের এক জমিদার পরিবারে গীতা দত্তের জন্ম হয়। জন্মকালে তাঁর নাম ছিল গীতা ঘোষ রায়। বিখ্যাত অভিনেতা ও চিত্রপরিচালক গুরু দত্তের সঙ্গে বিয়ের পর তিনি গীতা দত্ত হিসেবে পরিচিত হন।

তরুণ মজুমদার (চিত্র পরিচালক)-বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এই বিখ্যাত চিত্র পরিচালক।

সত্তজিত রায়

মৃণাল সেন (চিত্র পরিচালক)–১৯২৩ সালের ১৪ মে মৃণাল সেন ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পড়াশোনার জন্য কলকাতায় গেলে সেখানেই নাম ডাক করেন।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়–বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে নানার বাড়ি তাঁর জন্ম। এই শহরে তাঁর জন্ম ও বেড়ে উঠা হলেও পৈতৃক ভিটা ছিল বিক্রমপুরে(মুন্সিগঞ্জ)।

এস ডি বর্মন (শচীন দেব বর্মন-গায়ক ও সুরকার)- উপমহাদেশের কিংবদন্তি গায়ক ও সুরকার শচীন দেববর্মণ ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লার চর্থায় জন্মগ্রহণ করেন। চর্থার বাসভবনেই শচীন বাবু তাঁর জীবনের প্রথম ১৯টি বছর অতিবাহিত করেন।

সুস্মিতা সেন-বরিশালে তাঁর পৈতৃক নিবাস।

দেবব্রত বিশ্বাস(গায়ক)-১৯১১ সালে ২০ আগস্ট কিশোরগঞ্জে তাঁর জন্ম।

সাগর সেন (গায়ক)-১৯৩২ সালের ১৫ মে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু তিনি বড় হয়েছেন কলকাতায়।

উৎপল দত্ত–১৯২৯ সালের ২৯ মার্চ বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এই শক্তিমান অভিনেতা।

শ্রাবন্তী

পি.সি. সরকার (জাদুশিল্পী)- টাঙ্গাইল জেলার অশোকপুর গ্রামে একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৩৩ সালে টাঙ্গাইলের সা`দত কলেজ থেকে গণিতে অনার্স সহ বি. এ. পাশ করেন।

ভানু ব্যানার্জি (কমেডিয়ান)-কলকাতা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা ভানু ব্যানার্জি জন্মেছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে ১৯২০ সালের ২৬শে অগাস্ট। ১৯৪১ সালে কলকাতায় পাড়ি জমান।

হিরালাল সেন-ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম বাংলা চলচ্চিত্রকার হিরালাল সেনের জন্ম মানিকগঞ্জের বগজুরী গ্রামে ১৮৬৬ সালে, এক সম্ভ্রান্ত জমিদার বংশে।

সাবিত্রী চ্যাটার্জী- উত্তম কুমারের সাথে জুটি বেঁধে কাজ করেছেন। জন্ম কুমিল্লায জেলায়।

শ্রেয়া ঘোষাল-ভারতের জনপ্রিয় এই গায়িকার দাদার বাড়ি বিক্রমপুর(মুন্সিগঞ্জ) জেলার হাসাড়া গ্রামে। ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের আগেই তার দাদা কলকাতা চলে যান। সেখানেই তাঁর বাবা জন্মগ্রহণ করেন।

শ্রাবন্তী-ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তীর দাদা ও বাবার আদি নিবাস বরিশালে।

মিঠুন চক্রবর্তী

নচিকেতা-জীবনমুখী গানের এই জনপ্রিয় শিল্পীর পৈত্রিক নিবাস ছিল ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার উত্তর চেঁচরী গ্রামে।

এছাড়া বলিউডের জনপ্রিয় মিউজিশিয়ান প্রীতম চক্রবর্তী, বাপ্পি লাহিড়ী, হারাধন বন্দোপাধ্যায়েরও আদি নিবাস নাকি বাংলাদেশে।

বাংলাদেশের গর্ব করার মতো আরেক ব্যক্তি হচ্ছেন নাফিজ বিন জাফর। হলিউডের ব্যস্ত এই অ্যানিমেটর অস্কার জয় করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *