টাইলস এ্যাডহেসিভ কথন

হালে দেশ ও বিদেশে টাইলসের জুড়ি মেলা ভাড়। সবচেয়ে জনপ্রিয় নির্মাণ উপকরণ এখন টাইলস। টাইলস ছাড়াও সিমেন্ট সেন্ড প্ল্যাস্টার ফ্লোরিং বা নিট ফিনিশিং, মুজাইক ফ্লোরিং, ভিনাইল ফ্লোরিং, কোয়ার্টজাইট ফ্লোরিং, শ্লেট ফ্লোরিং, তিরাজ্জু ফ্লোরিং, সেন্ড স্টোন বা কোট্টা স্টোন ফ্লোরিং এ ফ্লোর ফিনিশিংগুলো বেশ জনপ্রিয়।

এ ছাড়া বর্তমানে ইপক্সি পেইন্ট ফ্লোরিংয়ের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলছে, বিশেষ করে হাসপাতালগুলোতে। আর টাইলস হিসেবে সবার প্রথম পছন্দ চীনা মাটি বা সমজাতীয় টাইল তবে মারবেল কিংবা গ্রানাইটও ব্যবহৃত হয়ে থাকে যা খুব ব্যয়বহুল। সিরামিক টাইলস সাধারনত ব্যবহৃত হয় ওয়াল টাইলস হিসেবে ব্যবহার হয়, এ ছাড়াও গ্রাউন্ড ফ্লোওে পারকিং টাইলস ও রাস্তায় পেভিং টাইলস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। টাইলস লাগানোর মূল উপাদান হচ্ছে টাইলস এ্যাডহেসিভ। এবারের বিষয় টাইলস এ্যাডহেসিভ নিয়ে।

টাইলস লাগানোর কয়েকটি পদ্ধতি
সিমেন্ট কংক্রিট:

আমাদের দেশে সাধারনত এই পদ্ধতিতে টাইল লাগানো হয় না, এই পদ্ধতিতে বিদ্যমান ফ্লোরের উপর হালকা পুরুত্বের সিমেন্ট কংক্রিটের মসলার (ড্রাই টাইপের) উপর টাইলস বসানো হয়।

সিমেন্ট সেন্ড মর্টার

যা আমরা সবচেয়ে বেশি করে থাকি, মসলা মূলত হওয়া দরকার প্লাস্টারের মত, তবে আমাদের দেশের মিস্ত্রিরা নরম মর্টার দিয় কাজ করতে অভ্যস্ত না বিধায় মসলাকে কিছুটা ড্রাই রাখে (দোরসা টাইপ)। ওয়াল টাইলসের জন্য অবশ্য মসলা পেষ্ট হওয়া বাধ্যতামূলক (প্লাস্টারের মত)

টাইলস এ্যাডহেসিভ:

বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির রেডিমেইড এ্যাডহেসিভ পাওয়া যায়, বাহিরের দেশে সাধারনত এই এ্যাডহেসিভ দিয়েই টাইলস লাগানো হয়।

এ্যাডহেসিভ আসলে কী?

এ্যাডহেসিভ হচ্ছে এক প্রকার আঠালো উপাদান যা সিমেন্ট ও বালুর সাথে মিশিয়ে টাইলস বা ফিনিশিং কাজ করা হয়। এ্যাডহেসিভকে কেউ কেউ কনবেসও বলে থাকে। বাংলাদেশের মিস্ত্রিরা বার্জার, খাদেম ও কনবেস এ তিন কোম্পানির এ্যাডহেসিভই বেশির ভাগ ব্যবহার করে থাকেন।

কাভারেজ:

এ্যাডহেসিভ এর মাধ্যমে টাইলস লাগানো হচ্ছে

২৫ কেজির এক প্যাকেট এ্যাডহেসিভ দিয়ে ২০-২৫ বর্গফুট টাইলস লাগানো যায়। সাধারণত টাইল লাগানোর সময় ৫-৮ মিলি মিটার পুরত্বে লাগাতে হয়। বালু, সিমেন্ট ও এ্যাডহেসিভ মিশিয়ে টাইল লাগাতে হয়। এই ক্ষেত্রে বালু ৩ ঘন ফুট, সিমেন্ট ৫০ কেজি ও এ্যাডহেসিভ ১০ কেজি একত্রে মিশিয়ে টাইলস লাগাতে হয়। ৫-৬ মিলি মিটার পুরুত্বে ২-২.১ বর্গফুটের জন্য ১ কেজি মিশ্রন লাগবে।

বিভিন্ন রকম টাইলস এ্যাডহেসিভের নাম, দাম ও ওজন

ক্রমিক—–কোম্পানি —-ওজন———-দাম
১ বার্জার ২৫ কেজি ৫২৫-৬০০ টাকা
২ খাদেম ২৫ কেজি ৬০০-৬৫০ টাকা
৩ কনবেস ২৫ কেজি ৬০০-৬৫০ টাকা

এর বাইরেও দেশি বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির এ্যাডহেসিভ বাজারে রয়েছে। তবে আমাদের দেশের মিস্ত্রিরা এই তিন কোম্পানির এ্যাডসিভই বেশি ব্যবহার করে।

এ্যাডহেসিভ নিয়ে দুটি কথা:

সনাতনী পদ্ধতিতে শুধুমাত্র সিমেন্ট বালি দিয়ে টাইল লাগালে সাধারণত দুই থেকে তিন ইঞ্চি থিকনেসে টাইল হয় এতে বিল্ডিংয়ের উপরে লোড রেড়ে যায়, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। আর টাইল এ্যাডহেসিভ দিয়ে টাইল লাগালে পুরুত্ব হয় ৩-৮ মিলি মিটার। এতে বিল্ডিংয়ের উপর লোডও পরবে অত্যন্ত কম। কিন্ত টাইলের স্থায়ীত্ব হবে বেশি। এছাড়া টাইল এ্যাডহেসিভ দিয়ে টাইলস লাগালে মাত্র ২৪ ঘন্টা পরেই ব্যবহার উপযোগী হয়। সনাতন পদ্ধতিতে যা লাগে ৮-১০ দিন। ফলে এ্যাডহেসিভ সাশ্রয় করে মূল্যবান সময়। এ্যাডহেসিভ আঠালো হওয়ায় টাইলকে দিনের পর দিন সঠিক জায়গায় রাখে।

এ্যাডহেসিভের নানান রকম ব্যবহার:

বালু ও সিমেন্ট জমাট বাধতে সময় লাগে বলে অনেকে আজকাল বালু ও সিমেন্টের বদলে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করে থাকে নির্মাণ এ্যাডহেসিভের ব্যবহার করে থাকে। টাইল লাগানো ছাড়া এ্যাডহেসিভের নানান প্রকার ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো-

 প্লাস্টারের কাজে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়
 কংক্রিটের কাজে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়
 মোজাইকের কাজে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়
 পুরাতন টাইলসহ বিভিন্ন ধরনের টাইল লাগাতে
 গাথুনির কাজে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়
 পানির ট্যাংকের কাজে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়
 দ্রত জমাট বাধায় ড্রেনেজের কাজেও ব্যবহার করা হয়
 ঘরের ভেতর ও বাইরের উভয় দেয়ালে
 বাথরুমে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়
 মেঝেতে এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়
 রান্না ঘরের দেয়াল এ্যাডহেসিভ ব্যবহার করা যায়

টাইল এ্যাডহেসিভ ব্যবহারের সুবিধা:

 উচ্চ আঠালো ও স্থিতিস্থাপক শক্তি সম্পন
 সহজেই পানি মিশিয়েই ব্যবহার করা যায়
 বিভিন্ন ধরনের টাইল এর ক্ষেত্রে আদর্শ
 সহজেই পুরাতন টাইলের উপরে নতুন টাইল লাগানো যায়

টাইল এ্যাডহেসিভ তৈরিকরণ:

 প্রথমে প্যাকেটের মুখ খুলে ভেতরের পলি প্যাকটি বের করতে হবে
 এবার ২৫ কেজি এ্যাডহেসিভ ৫ লিটার পানি মেশাতে হবে
 এরপর পানি ঢেলে মিক্সার মেশিন দিয়ে মিশাতে হবে
 এ্যাডহেসিভ প্রস্তুত করা হলে প্রয়োগের জন্য প্রস্ততি নিতে হবে
 এ্যাডহেসিভ মিশ্রন তৈরির ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে

এ্যাডহেসিভ প্রয়োগ:
 প্রথমে দেওয়াল কাঠের স্কেভার দিয়ে ঘষে নিতে হবে
 দেওয়াল পানি দিয়ে ভালোভাবে ভিজিয়ে নিতে হবে
 টাইলস লাগানোর আগে সুতা দিয়ে লেভেলিং করে নিতে হবে
 এ্যাডহেসিভ লাগানোর আগে টাইলসটি পরীক্ষা করে নিতে হবে
 খাঁজকাটা কুনি দিয়ে ভালোভাবে লাইন টেনে নিতে হবে
 এরপর টাইলস লাগাতে হবে
 টাইলস ব্যবহারের স্থানকে ভালোভাগে পরিষ্কার করে নিতে হবে
 মিশ্রনকে খাঁজকাটা গুড়ি দিয়ে ভালোভাবে লাইন টেনে নিতে হবে
 এবার তার উপরে টাইলস লাগাতে হবে
 রাবার হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে দেখতে হবে টাইলস ঠিক মতো লেগেছে কিনা

টাইলস সাইজ:
বাজারে বিভিন্ন সাইজের টাইলস পাওয়া যায়, তন্মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড সাইজগুলো হলো;

ফ্লোর টাইলস : ১২”x১২”, ১৬”x ১৬”, ২০”x২০”, ২৪” x২৪”, ৩২” x ৩২”, ২৪” x ৪৮” ইত্যাদি।
ওয়াল টাইলস: ৮”x ১২”, ১০” x ১৩”, ১০”x ১৬”, ১২”x ১৮”, ১২”x২০”, ১২”x২৪”, ১২” x ৪৮” ইত্যাদি। তবে মারবেল/ গ্রানাইট চাইলে পছন্দের মাপ অনুযায়ী নিতে পারবেন।

টাইলস এর ব্রান্ড:
বাজারে চীন, মালয়েশিয়া কিংবা স্পেনসহ বহু নামী দামী কোম্পানী ও ব্রান্ডের টাইলস পাওয়া যায়, তবে দেশী টাইলসের মধ্যে আরএকে, ডিবিএল, আকিজ, মীর, ফুওয়াং, চায়না-বাংলা (সিভিসি), গ্রেট ওয়াল, স্টার সিরামিক, মিরপুর সিরামিক, এক্স মনিকা ইত্যাদি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

টাইলস লাগানোর আগে করনীয়:
চেকিং:
প্রথমেই চেক করে নিতে হবে স্যানিটারি, ইলেকট্রিক, গ্যাস লাইন, ওয়ারিং, টিভি, ইন্টারনেট লাইন, ডোর ফ্রেম ইত্যাদির কাজ শেষ হয়েছে কিনা কিংবা কোন সমস্যা রয়েছে কিনা?

ক্লিনিং:
এরপর বাসুলা দিয়ে চিপিং করে ফ্লোর থেকে সকল আগলা/ লুজ ময়লা তুলে ফেলে ওয়্যার ব্রাশ ও ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। বিশেষ করে স্কার্টিং/ ওয়াল টাইল লাগানোর পূর্বে দেওয়াল থেকে শ্যাওলা বা লুজ মর্টার ফেলে দিয়ে পানি সহকারে তারের ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

ওয়াটারিং স্প্রেইং:
টাইলের কাজ শুরুর একদিন পূর্বে ফ্লোর কিংবা ওয়ালকে ভিজিয়ে নিতে হবে যেন তা মর্টারের পানিকে শুষে নিতে না পারে। তবে ওয়ালকে হালকা কিছুটা শুষ্ক রাখতে হবে, না হলে লাগানোর সময় টাইলস ধরে রাখা কষ্টকর হবে।

কার্যপদ্ধতি:-
 সিড়ি বা লিফ্ট এর ফ্লোর থেকে লেভেল পাইপ বা লেভেল মেশিনের সাহায্যে ইউনিট বা ফ্ল্যাটের রুমগুলোতে লেভেল মার্ক করে নিতে হবে, তারপর কোন রুমে কতটুকু মর্টার লাগবে তা চেক করে নিয়ে সব রুমের জন্য একটা টপ লেভেল ফিক্সড করে নিতে হবে যেন ওই নির্দিষ্ট লেভেল থেকে সব জায়গাতে টাইলসের টপ পর্যন্ত একই মাপ পাওয়া যায়।
 ওয়াল টাইলসের ক্ষেত্রে ওয়াল এর টপ থেকে মেপে নিয়ে লেভেলিং এবং উলম্ব শল করে নিচ থেকে কাজ শুরু করতে হবে, শর্টপিচ লাগলে তা নিচেই দিতে হবে।
 ডোর সিল দিয়ে থাকলে আলাদা ফ্ল্যাটে রিংব লেভেল নিতে পারেন, তবে টয়লেটের লেভেল রুম থেকে আলাদা হবে, দরজার পাল্লার নিচে যেন কমপক্ষে ১/২” ফাঁকা থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

মিশ্রন অনুপাত:-

 ফ্লোর টাইলস ১:৪ থেকে ১:৩
 ওয়াল টাইলস ১:৩ থেকে ১:২

টাইলস সারফেস লেভেলিং:

টাইলের উচুনিচু চেক করার জন্য চার টাইলসের জয়েন্টে হাত দিয়ে বুঝার চেষ্টা করুন কোন টাইলস উচু কিংবা নিচু রয়েছে কিনা
জয়েন্টে আপ/ ডাউন বুঝার জন্য একটি টাইলসকে যে কোন জয়েন্টে খাড়াভাবে ধরুন, দেখুন তা দুটো টাইলের সাথে মিলে যাচ্ছে কিনা, কিংবা একটির সাথে মিললে অন্যটি থেকে ফাঁকা থাকে কিনা?
টাইলেস লেভেল আপনি স্প্রিরিট লেভেল দিয়েও চেক করতে পারেন, বড় স্পিরিট লেভেল হলে একাধিক টাইলের লেভেল এক সাথে চেক করতে পারেন।

যদি আপনি বৃহৎ এরিয়ার লেভেল চেক করতে চান তবে গজ বা সূতা দিয়ে চেক করতে পারেন। ৭ ফিটের একটি স্ট্রেট গজ নিন, তাকে ফ্লোরের সাথে চেপে ধরুন, ফ্লোর যদি লেভেলে থাকে তবে গজের নিচে কোথাও ফাঁকা থাকবেনা, যদি ফাঁকা থাকে তবে বুঝবেন টাইল ঠিকভাবে বসানো হয় নি।

সূতা দিয়ে চেক করতে চাইলে ১০ ফুট দূরুত্বের দুইটি টাইলস নির্ধারন করুন, এবার সেই দুই টাইলস থেকে সুতাটিকে ৫ মিলি উপরে তুলে টেনে ধরে রাখুন, নিজেই দেখতে পাবেন কোনটা উচুঁ আর কোনটা উচুঁ।

টাইলস লাইয়ং:

প্রথমে রুমের চার কর্নারে চারটি পায়া [ঞবসঢ়ড়ৎধৎু চরবৎ] করে নিতে হবে, এবার পায়াগুলোর লেভেলের সাথে মিল রেখে যে কোন এক সাইড থেকে টাইস লাগিয়ে আসতে হবে, শর্টপিচ লাগলে সেটা প্রান্তের দিকে লাগাতে হবে। সবচেয়ে ভাল হবে যদি রুমের তিনদিকেই এক সারি টাইল বসিয়ে সে অনুযায়ী মাঝের টাইলগুলো বসানো যায়। খেয়াল রাখতে হবে প্রতি টাইলসের মাঝে যেন ২/৩ মিলির বেশি গ্যাপ না থাকে এবং টাইলের কর্নারগুলো একই লেভেলে থাকে।

ওয়াল টাইলসের বেলায় প্রথমে উলম্বভাবে শল ও লেভেলিং করে নিচে এক লাইন টাইলস বসিয়ে নিতে হবে, এবার পায়ার সাথে মিল রেখে ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে টাইসগুলো যেন আড়াআড়ি ভাবে লেভেলে থাকে, কর্নারের টাইলকে ভি-কাটিং [#চোস] করে লাগাতে হবে। কাজ শেষে টাইলসগুলোকে পরিষ্কার করে মুছে ফেলতে হবে। সিরামিক টাইলসকে অবশ্যই কাজের পূর্বে পর্যাপ্ত ভিজিয়ে নিতে হবে।

কিউরিং:

কিউরিং এর ক্ষেত্রে ভাল হবে যদি ফ্লোরকে পানিতে চুবিয়ে কিউরিং করা যায়, কারণ টাইলস পানি অপ্রবেশ্য বিধায় সহজে শোষন করে না, সে ক্ষেত্রে জয়েন্টগুলোতে এমনভাবে পানি মারতে হবে যেন তা ভিতরে পৌঁছে।

পুডিং:-
কিউরিং পিরিয়ড শেষ হলে তা শুকানোর পর জয়েন্টগুলো ভালভাবে পরিষ্কার করে টাইলসের কালারের সাথে মিল রেখে পুডিং করে দিতে হবে এবং পুডিং করার পর তাও #কিউরিং করতে হবে। পুডিং কে ভালভাবে চেপে লাগাতে হবে যেন ভিতরে ঢুকতে পারে।

সাবধানতা ও সতর্কতা:-
গ্রাউটিং:
যদি আপনি ড্রাই মর্টার ব্যবহার করেন তবে খেয়াল রাখবেন মসলাকে ড্রেসিং করার পর এর উপর যে তরল গ্রাউটিং দেওয়া হয় তা যেন মর্টারের সর্বত্র প্রবেশ করতে পারে। মসলার উপরের গ্রাউটিং নিচে পৌঁছানোর জন্য ড্রাই মর্টারগুলোকে কিছুটা গর্ত/ কেটে দিন, তবে লক্ষ্য রাখবেন ভেতরে যেন বাতাস না থাকে।

বিভিন্ন সাইজের

স্পেস:
রুমের ভিতরে স্পেসের প্রয়োজন নেই, তবে বারান্দা এবং টয়লেটে কমপক্ষে ১/২” স্পেস রাখুন যাতে খুব সহজেই পানি চলে যেতে পারে, সর্বপরি এগুলো যেন সবসময় শুষ্ক থাকে।

অপচয়:-
টাইলের কাজে ওয়েস্টেজ একটু বেশিই হয়, তবে সেটাকে ৮% এর মধ্যে রাখতে চেষ্টা করবেন। কাজ চলাকালীন সময়ে টাইলসের উপর দিয়ে হাটা যাবে না, টাইলসকে রাবারের হ্যামার ছাড়া আঘাত করতে দেবেন না। ওয়াল টাইসের ক্ষেত্রে লেভেল চেক করুন যেন, চারদিকের টাইলস একই লেভেলে থাকে, সর্বপরি টপে ১/২” বেশি ফাঁকা যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কালারে ভিন্নতা থাকলে তা আলাদা করুন, কাটিং এর জন্য টাইলস কাটার মেশিন ব্যবহার করুন।

আরো দেখুন

Leave a Comment