জিরো ওয়েস্ট; বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে কামিকাতসু

জিরো ওয়েস্ট; বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে কামিকাতসু

সবুজ শ্যামল ধানক্ষেত ও বন-পাহাড়ের কোল ঘেঁষে, জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের শিকোকু দ্বীপে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট্ট শহর কামিকাতসু

গৃহস্থালি খাদ্য বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা ও জিরো ওয়েস্ট এর জন্য বিশ্ববাসীর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কামিকাতসু

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির বিকাশ ও ব্যবস্থাপনায় উৎকর্ষের স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য কামিকাতসু অনুপ্রেরণার নাম।

প্রচলিত পদ্ধতিতে আবর্জনা পুড়িয়ে, মাটি চাপা দিয়ে কিংবা পানিতে ফেলা এড়িয়ে পুনর্ব্যবহার করার পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়াকে জিরো ওয়েস্ট বলা হয়।

২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানে প্রথম জিরো ওয়েস্ট কর্মসূচী হাতে নেওয়ার মধ্য দিয়ে কার্যোপযোগী বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে কামিকাতসু

শহরজুড়ে পথে ঘাটে কোথাও নেই ময়লা ফেলার জায়গা। এমনকি কোনো ময়লার গাড়িও নেই। তবুও কোথাও চোখে পড়বে না এক টুকরো ময়লা আবর্জনা।

ওয়েস্ট কালেকশন সেন্টারে খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন, কার্টন, ফ্লায়ারসহ বিভিন্ন ধরনের কাগজ জাতীয় দ্রব্যের জন্য নির্দিষ্ট ঝুড়ি আছে।

অ্যালুমিনিয়াম, স্প্রে, স্টিল এসবের জন্য ভিন্ন ভিন্ন জায়গা আছে। এমনকি প্লাস্টিক বোতল ও বোতলের ক্যাপের জন্যও আছে নির্দিষ্ট স্থান।

ফেলে দেওয়া পুরনো কাপড় ব্যবহার করে বানানো হয় টেডি বিয়ার। মোট ৩৪টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থকে সাজাতে হয় কামিকাতসুর বাসিন্দাদের।

প্রচলিত পদ্ধতিতে, ধানক্ষেত এবং চুল্লিতে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য পদার্থ পোড়ানো হতো জাপানে। এখন আর সে অবস্থা নেই।

শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা চর্চায় তাদের জীবন হয়ে উঠেছে দুষণমুক্ত। উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্বপ্ন ছোঁয়ার লক্ষ্যে কাজ করে ইতোমধ্যেই বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে কামিকাতসু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *