ঘরবন্দি শিশুদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চার নির্দেশনা

ঘরবন্দি শিশুদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চার নির্দেশনা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে গোটা বিশ্বের মানুষ এখন ঘরবন্দি সময় অতিবাহিত করছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে এখন ঘরে রয়েছে শিশুরাও। তবে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় পড়াশোনার চাপ কমলেও তাদের খেলাধুলার সুযোগ নেই বললেই চলে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সময়ে শিশুরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে, বিরক্তিবোধও হতে পারে। কেউ কেউ হতে পারে আতঙ্কগ্রস্ত।

তবে অধিকাংশ শিশু টিভি দেখে ও মোবাইল ফোন ঘেটে সময় পার করছে। আর এমন অবস্থা বেশি দিন চললে ভবিষ্যতে শিশুদেরকে বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়তে হবে বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এখন প্রশ্ন হলো এ সময়টা শিশুরা কীভাবে কাটাবে। এর সমাধানে কতগুলো নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

নির্দেশনাগুলো হলো:

এক,

ঘরবন্দি অবস্থায় দৌড়ানোর অভ্যাস করানো সম্ভব নয়। তাই খেলার ছলে স্কিপিং বা লাফ দড়ির সাহায্য সন্তানকে শরীরচর্চা করানোর কথা বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

দুই,

সন্তানের সাথে খেলায় সঙ্গ দিন। ওদের সঙ্গে খেলতে খেলতে বাড়ির বড়দেরও খানিকটা শরীরচর্চা হয়ে যাবে।

তিন,

পড়াশুনার বাইরে অবসর সময় কাটানোর জন্য সন্তানের হাতে মোবাইল ফোনের পরিবর্তে তুলে দিন গল্পের বই।

চার,

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটারে সঙ্গে যতটা কম সময় কাটাবে, ততই ভালো। তবে তাদের দিনে বড়জোড় ১ ঘণ্টা টিভি বা কম্পিউটারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে বলেও জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে ঘরবন্দি শিশুদের মন-মানসিকতা ভালো থাকবে।

One thought on “ঘরবন্দি শিশুদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চার নির্দেশনা

  1. ধন্যবাদ। কিন্তু আমরাতো মোবাইল আর কম্পিউটার নিয়াই ব্যাস্ত। 😉

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *