আশ্চর্যজনক দশ উপকারিতা খালি পায়ে হাঁটার

আশ্চর্যজনক দশ উপকারিতা খালি পায়ে হাঁটার

একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে প্রতিদিন সকালে উঠে খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস করলে শরীরের অনেক উপকার পাওয়া যায়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পায়ে হাঁটার আশ্চর্যজনক ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে।

সক্রিয় হয় মস্তিষ্ক ও শরীর:

খালি পায়ে হাঁটলে পৃথিবীর গভীরে থাকা সেনসারি চ্যানেল পায়ের তলার কিছু প্রেসার পয়েন্ট অ্যাকটিভ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্ক এবং শরীর আরও বেশি করে অ্যাকটিভ হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে সিক্স সেন্সও বাড়তে শুরু করে

হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে:

শরীরে রক্তচলাচল যখন স্বাভাবিকভাবে থাকে, তখন ব্লাড ক্লট এবং আর্টারিতে ময়লা জমার আশঙ্কা কমে যায়। ফলে হার্টের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

খালি পায়ে হাঁটার আরেকটি উপকারিতা হল, এই সময় ব্লাড সেলগুলি খুব গতি প্রাপ্ত যায়। ফলে রক্ত ঘন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

অনিদ্রা দূর হয়:

খালি পায়ে হাঁটার সময় শরীর থেকে নেগেটিভ এনার্জি বের হওয়ার পাশাপাশি স্ট্রেসও রিলিজও হয়। তাতে মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। অনিদ্রা দূর করার মহাষৌধ খালি পায়ে হাঁটা। সাঁতার কাটলেও একই ফল মেলে।

দেহের গঠনে ভালো হয়:

খালি পায়ে হাঁটার সময় শরীর থেকে নেগেটিভ এনাজি বের হয়

পায়ের গঠন খারাপ হয়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পরে শরীরের উপর। ফলে ব্যাক পেইন, ঘাড়ে যন্ত্রণা এবং গোড়ালিতে ব্যথা হওয়ার মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তবে দুর্বল হয়ে যাওয়া পা যুগলেকে পুনরায় চাঙ্গা করে তুলতে খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস। তাতে পায়ের শক্তি বাড়ে ফলে ভুল জুতা পরলেও শরীরের উপরে আর কু-প্রভাব পরবে না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

পায়ের তলায় থাকা একাধিক সেন্সারি নার্ভ, খালি পায়ে হাঁটার সময় অ্যাকটিভ হয়ে গিয়ে শরীরের ভেতরে পজেটিভ এনার্জি তৈরি করতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়ে ওঠে ফলে নানাবিধ রোগ সংক্রমণের আশঙ্কা একেবারে কমে যায়

বুদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়:

শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশই পানি দিয়ে গঠিত। তাই মাটির সঙ্গে শরীরের সম্পর্ক যত নিবিড় হবে, তত রোগভোগের আশঙ্কা কমে শরীর একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠে।

খালি পায়ে হাঁটাহাঁটি করলে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কে থাকা নিউরনগুলো মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে অ্যাকটিভ হয়ে যাবে। ফলে একদিকে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় অন্যদিকে বুদ্ধির জোরও বাডড়তে থাকে।

রক্তচলাচলে উন্নতি ঘটে:

খালি পায়ে হাঁটার সময় মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্ত বেশি বেশি করে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পৌঁছে যায়। কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়

পেশী ও হাড় শক্তপোক্ত হয়:

খালি পায়ে হাঁটার সময় হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়

খালি পায়ে হাঁটার সময় ভেনাস রিটার্ন বেড়ে যায়। অর্থাৎ হার্টে বেশি বেশি করে রক্ত পৌঁছাতে শুরু করে। ফলে পেশী এবং হাড় আরও শক্তপক্তো হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে:

প্রতিদিন ভোর বেলা, খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে পায়ের তলায় থাকা বিভিন্ন প্রেসার পয়েন্টের সঙ্গে চোখের সরাসরি যোগ রয়েছে। ফলে পায়ের তলায় যত চাপ পরে, তত দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে শুরু করে

মানসিক অবসাদ কমে:

নিয়মিত খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে মানসিক অবসাদ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে অ্যাংজাইটি লেভেলও নিম্নমুখী হয়।

খালি পায়ে হাঁটার সময় মস্তিষ্কের এন্ডোরফিন নামক একটি ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায় ফলে ডিপ্রেশন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *