আর কাউকে কিডনি দান করতে হবে না

আর কাউকে কিডনি দান করতে হবে না

কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য ভবিষ্যতে আর কাউকে কিডনি দান করতে হবে না। কারণ আগামী বছর বাজারে আসতে যাচ্ছে কৃত্রিম কিডনি। যা আসল কিডনির চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী ও সস্তা। সবচেয়ে গৌরবের কথা হলো, এই কিডনি আবিস্কার করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. শুভ রায়।

জানা গেছে, কয়েক বছর আগেই কৃত্রিম কিডনি আবিস্কারের ঘোষণা দিয়ে তিনি বিশ্বে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছিলেন।

তবে নতুন তথ্য হলো, কৃত্রিম এই কিডনি আমেরিকার যে কয়েক হাজার রোগীর দেহে পরীক্ষামূলকভাবে বসানো হয়েছিল তারা সবাই এখনও সুস্থ্য আছেন।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের Food and Drug Administration( FDA )- এটির চুড়ান্ত অনুমোদন দিলেই তা বাজারে আসতে শুরু করবে।

বায়ো-ইঞ্জিনিয়ার ডঃ শুভ রায়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে ২০০৮ সাল থেকেই ৪০ জন অধ্যাপক ও গবেষককে নিয়ে শুরু করেছিলেন কৃত্রিম কিডনি তৈরির কাজ।

এ সময় তিনি আবিষ্কার করেন একটি সিলিকন নির্মিত সূক্ষ্ম ছিদ্রযুক্ত পর্দা, যা রক্তকে নিখুঁত ভাবে ছেঁকে ফেলতে সক্ষম। এটি ছিলো কিডনি আবিস্কারের মূল সুত্র। এরপর এই সিলিকন নিয়ে উঠেপড়ে লাগলেন ৪১ জন বিজ্ঞানী। যার ফলে তৈরী হলো এই কৃত্রিম কিডনি।

উল্লেখ্য ড. শুভ রায় ১৯৬৯ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাদের আদি বাড়ি ছিল চট্টগ্রাম জেলার রোসাংগিরিতে। তার বাবা অশোক নাথ রায়ও ছিলেন ডাক্তার।

কর্মসূত্রে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল আফ্রিকার উগান্ডায়। শুভ রায় ভর্তি হয়েছিলেন উগান্ডার জিনজা সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে। সেখানেই স্কুল জীবন শেষ করে, আমেরিকা পাড়ি দেন শুভ।

তিনি ওহাইও’র মাউন্ট ইউনিয়ন কলেজ থেকে একই সঙ্গে কম্পিউটার সায়েন্স, ফিজিক্স ও গণিতে স্নাতক হন মেধাবী শুভ।

এর পর ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৯৫ সালে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্সে মাস্টার ডিগ্রি করেন। ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি করেন ২০০১ সালে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *